যদি আপনি প্রেমে পড়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এই একরাশ ভালোবাসার কবিতা

প্রেমের মতো সুন্দর জিনিস আর কিছু হয় না। ভালোবাসা এমনি যা কখনো হাসাবে কখনো কাঁদাবে, কখনো মধুর সপ্ন দেখাবে তো কখনো হৃদয় ভেঙ্গে চুর-মার করে দিবে। কখনো সুখ তো কখনো দুঃখ, তবুও মানুষ ভালোবাসে, তবুও মানুষ সপ্ন দেখে, কারন এই সব আছে বলেই হয়তো মানুষ বেঁচে থাকে। প্রেম ছাড়া জীবন বৃথা। তাই আপনাদের জন্য আজ নিয়ে এসেছি বেশ কিছু ভালোবাসার কবিতা ও ছন্দ যেগুলো আপনি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকাকে কবিতার মাধ্যমে মনের কথা প্রকাশ করতে পারবেন। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি দেখে নি বাংলা কিছু প্রেমের কবিতা ও ভালোবাসার ছন্দ –

  • প্রেমের দূতকে পাঠাবে নাথ কবে
    সকল দ্বন্দ্ব ঘুচবে আমার তবে।
  • সে এলে সব আগল যাবে ছুটে
    সে এলে সব বাঁধন যাবে টুটে
    ঘরে তখন রাখবে কে আর ধরে
    তার ডাকে যে সাড়া দিতেই হবে।

  • তুমি আমার প্রথম সকাল,
    একাকী বিকেল, শান্ত দুপুর বেলা,
    তুমি আমার সারা দিন, তুমি সারা বেলা,
    তুমি আমার একটু খানি ছোয়ায় অনেক খানি পাওয়া
    তুমি আমার কড়া রোধের মিষ্টি শীতল হাওয়া।

  • মন নেই ভালো, জানিনা কি হলো
    পাশে নেই তুমি, কি করি আমি
    পাখি যদি হতাম আমি এই জীবনে
    তোমায় নিয়ে উড়ে যেতাম অচিন ভুবনে।

  • যেতে যেতে পথে হবে প্রেম, শুধু দুটি মনে
    অনুভবে কথা হবে ভালোবাসারই এই মিলনে
    মেঘেরই পালকিতে উড়ে উড়ে পাখিরা যায় বহু দূরে
    আকাশটা থাকে পিছনে, স্বপ্নের নীল ভুবনে
    হারাবো আজ শুধু ভালোবেসে দুজনে।

  • ভালোবাসা মানুষের জীবনকে পাল্টে দেয়
    ভালোবাসা মানুষের জীবনকে রোমান্টিক জীবনে ফিরিয়ে আনে
    ভালোবাসা অতীতকে ভুলে বর্তমানকে নিয়ে ভাবায়
    ভালোবাসা মানুষকে হাসায়/ কাদায়।

  • শীতের চাঁদর জড়িয়ে
    কুয়াশার মাঝে দাঁড়িয়ে
    হাত দুটো দাও বাড়িয়ে
    শিশিরের শীতল স্পর্শে যদি, শিহরিত হয় মন
    বুঝে নিও আমি আছি তোমার পাশে সারাক্ষন।

  • আমি প্রেম কি জানিনা, আমি প্রেম কি বুঝিনা
    শুধু ধিকি ধিকি মন যায় জ্বলে,
    কি জানি হায় কোন আগুনে, মরিবো আমি এই ফাগুনে।

  • কতটা হাত বাড়িয়ে দিলে তোমার মন ধরা যায়
    কতটা পথ পাড়ি দিলে তোমার মন পাওয়া যায়
    পাবো কি পাবোনা জানিনা , তোমাকে তো বুঝিনা
    তবু তোমার প্রেমে আমি পড়েছি
    বেঁচে থেকেও যেন আমি মরেছি।

  • তোমার জন্য রইলো আমার স্বপ্নে ভেজা ঘুম
    একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
    তোমার জন্য রইলো আমার দুষ্ট চোখের ভাষা
    মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা।

লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

এই নিয়ম গুলিই বাঙালি বিয়েকে বানায় সেরার সেরা (Bengali Wedding Rituals)

বাঙালি বিয়ে মানেই পরিবারের লোকজন, আত্মীয়-সজন, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব সবাই মিলে জন জমাটি, হৈ হুল্লোড়, নাচা-গানা, আড্ডা আর জমিয়ে খাওয়া দাওয়া। বিয়ের তারিখটা ফিক্স হতে যেটুকু সময় দেরি। একবার বিয়ের তারিখ ফাইনাল হয়ে গেলেই শুরু হয়ে যায় একের পর এক নিয়ম আর তার সাথে দেদার আনন্দ। এখন যদিও রিং সেরেমনি, মেহেন্দি ফাংশন এর মতো কয়েকটি Non Bengali Rituals অ্যাড হয়েছে মজাটা কে আরো কয়েক দিন বাড়িয়ে তোলার জন্য। কিন্তু যে নিয়ম গুলো ট্র্যাডিশনাল যেগুলো বছরের পর বছর একই ভাবে পালন হয়ে আসছে সেই নিয়ম গুলোর জনপ্রিয়তা আর আনন্দও কিন্তু কোথাও এত টুকুও কমেনি। আপনিও যদি বাঙালি স্টাইলে বিয়ে করতে চান বা আপনারও যদি সামনবিয়ে ঠিক হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য রইল কয়েকটি Bengali Wedding Rituals, মানে বাঙালি বিয়ের কিছু রীতি নীতি ও আচার অনুষ্ঠানের তালিকা যেগুলো বিয়ের আগে আপনার অবশ্যই জানা উচিত।

বিয়ের আগের নিয়ম (Pre Wedding Rituals):

১। পাটিপএ – প্রথমে দুই বাড়ির পক্ষ থেকে পাটিপএ করা হয় মানে পাকা কথা ও বিয়ের তারিখ ঠিক হয়। তারপর আসে আইবুড়োভাতের পালা।

২। আইবুড়োভাত – আইবুড়ো অর্থাৎ এখনও অবিবাহিত। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধব হবু কনে বা হবু বরকে তাদের বাড়িতে দেকে রকমারি রান্না করে খাওয়ান। নানান রকমের উপহার ও দেওয়া হয়ে থাকে।

বিয়ের দিনের নিয়ম কানুন (Bengali Marriage Rituals):

১। দধি মঙ্গল – বিয়ের দিন সকালটা দধি মঙ্গল দিয়ে শুরু হয়। সে দিন সকালে কনেকে শাঁখা আর পলা পরানো হয়। এই সাদা লাল শাঁখা polar জুটি হল এয়োস্ত্রীর চিহ্ন।

২। জল সইতে যাওয়া – এরপর আসে জল সইতে যাওয়া। কয়েকজন বিবাহিত মহিলা বাড়ির আশেপাশে কোনও পুকুর বা নদী থেকে তামার ঘড়ায় জল ভরে নিয়ে আসেন। গায়ে হলুদের পর ঐ জল দিয়েই কনেকে স্নান করানো হয়। তারপর কনে বৃদ্ধি পুজোয় বসে।

৩। বর বরণ – এরপর সন্ধ্যে বেলায় বরযাত্রী আসার পর কনের মা ও বাকি আত্মীয় স্বজনরা মিলে নতুন জামাই কে মিষ্টি, দই খাইয়ে বরণ করেন।

৪। শুভ দৃষ্টি – সারা দুনিয়াতে বিখ্যাত বাঙালি বিয়ের এই রীতি টি। একমাত্র বাঙালি ছাড়া আর কোনো সংস্কৃতিতে এই নিয়ম দেখা যায় না। বিয়ের মন্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে বর আর বাজনা বাজিয়ে উুলু ধ্বনি দিয়ে কনে কে একটি পিঁড়িতে চড়িয়ে নিয়ে আসে তার ভাইয়েরা বা বন্ধুরা। কনে তার মুখ পান পাতা দিয়ে ঢেকে আসে। তারপর বরের সামনে আসার পর কনে সেই পানের পাতা ধীরে ধীরে সরিয়ে ফেলে, আর তখনি দুজনের শুভদৃষ্টি হয়। এই মুহূর্তটা বর-বউয়ের কাছে সত্যিই খুব স্পেশাল হয়।

বাসি বিয়ে (Bengali Bashi Biye):

১। সিঁদুর দান – বাঙালি বিয়েতে বিয়ের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বাসি বিয়ের দিন সিঁদুর দান হয়। তারপর সাত পাক ঘোরা, পুকুর পার, আংঠি খেলা এবং শেষে কনকাঞ্জলি। অর্থাৎ আশীর্বাদ নিয়ে বিদায় জানিয়ে মেয়ে শশুর বাড়ি চলে যায়।

লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

গরমে ত্বকের যত্ন নেবেন কিভাবে? (Summer Skin Care Tips In Bengali)

এসে গেলো ভয়াবহ গ্রীষ্ম কাল। এটি বছরের এমন একটি সময় যখন বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও দূষণ শারীরিক সমস্যার সাথে ত্বকের ও হাজার সমস্যার সৃষ্টি করে। অ্যাকনে, ঘামাচি, র‌্যাশ, পিম্পল কিছু না কিছু লেগেই থাকে। ফলে ত্বকের ওপর ক্রমশ ধকল বাড়তে থাকে। অস্থির হবার কোনো দরকার নেই। তৈলাক্ত ত্বক হোক বা শুষ্ক, সেনসেটিভ ত্বক হোক কিংবা কম্বিনেশন গ্রীষ্মের এই প্রকট তাপ থেকে ত্বককে রক্ষার জন্য রইল কিছু দৈনন্দিন সামার স্কিন কেয়ার টিপস। যা আপনার ত্বককে রাখবে ফ্রেশ এবং আপনাকে দেবে একটা তরতাজা লুক।

তৈলাক্ত ত্বক (Oily Skin Care Tips):

তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজেই বাইরের ধুলো-ময়লা জমে গিয়ে ত্বককে ভীষণ অ্যাকনে প্রবন করে তোলে। কিন্তু তাতে চিন্তার কোনো কারন নেই, এই সমস্যার কী ভাবে সমাধান করা যায় বরং তা জেনে নেওয়া যাক –

  • দিনে দুবার অয়েল ফ্রি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
  • স্কিন থেকে ডেড সেল দূর করার জন্য স্কিন এক্সফলিয়েট করা খুব জরুরী। অয়েলি স্কিনের জন্য উপযোগী ফেস স্ক্রাব ব্যাবহার করুন।
  • প্রচুর পরিমানে জল খান।
  • তেলে ভাজা খাবার কম খেলেই ভালো।

শুষ্ক ত্বক (Dry Skin Care Tips):

শুষ্ক ত্বক খুব সহজেই আদ্রতা হারিয়ে খসখসে ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। ত্বকের এই শুষ্কতা দূর করতে মধু ভীষণ ভাবে উপকারী। ১ টেবিল চামচ মধু, ১/২ চা চামচ গ্লিসারিন, ১/২ চা চামচ কাচা হলুদ বাটা ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন এবং এই পেস্ট টি মুখে, গলায় ও ঘাড়ে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি গরমেও আপনার ত্বকের জেল্লা বাড়াবে।

সংবেদনশীল ত্বক (Sensitive Skin Care Tips):

সেনসিটিভ স্কিনে একটুতেই র‍্যাশ বেরিয়ে যায় আর তার থেকে স্কিনে দানা, ব্রণ, লালচে ছোপ, র‍্যাশ, অ্যালার্জি, ফুসকুড়ি, ইচিং- এর মতো নানান সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। আর ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় তাই Sensitive Skin এর যত্ন ভীষণ সাবধানে নিতে হয়। সেনসিটিভ স্কিনের যত্নে আপনি ঘরোয়া টোটকা ট্রাই করে আরামসে স্কিনের যত্ন নিতে পারেন এবং সেটাও কোনরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া।

সেনসিটিভ স্কিনের সমস্যায় অ্যালোভেরা খুব উপকারী। অ্যালোভেরা তে ভিটামিন ই রয়েছে যা স্কিন র‍্যাশ, ইচিং ইত্যাদি দূর করতে অতুলনীয়। অ্যালোভেরার পাতা কেটে তার ভেতরের জেল বার করে নিন। যেখানে র‍্যাশ হয়েছে সেখানে লাগিয়ে নিন। সারা রাত রেখে পরদিন সকালে ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

এছাড়াও গরম কালে ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে জল খান। বাইরে বের হওয়ার আগে সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে বাঁচার জন্য সানস্ক্রিন অবশ্যই লাগান। প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে আসার পর একটি সুতির কাপড়ে আইস কিউব নিয়ে সারা মুখে ধীরে ধীরে ঘষুন এতে স্কিন ট্যান দূর হবে ন্যাচারালি।

লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। পড়ে যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Design a site like this with WordPress.com
শুরু করুন