প্রিয়জনদের জন্য স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ও মেসেজ

১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনে একটা আলাদাই জায়গা রাখে। স্বাধীনতা দিবসের দিনে জাতীয়তাবাদের আগুন যাতে পুনরায় সকলের মনে জ্বলে ওঠে, তা সুনিশ্চিত করতে রইল একগুচ্ছ স্বাধীনতা দিবসের sms যা আপনার স্বাধীনতা দিবসকে আরও একটু স্পেশাল করে তুলবে! তাহলে আর দেরি না করে দেখে নিন –

স্বাধীনতার দিবস উপলক্ষ্যে কয়েকটি বাছাই করা মেসেজ –

১। স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে আমি গর্ব করি

সোনার মতো নামী দামী এসো দেশটা গড়ি।

২। স্বাধীনতা ঈশ্বরের আশীর্বাদস্বরূপ… প্রার্থনা করি আমাদের এই অসাধারণ দেশটি যেন চিরকাল এমন স্বাধীনই থাকে… শুভ স্বাধীনতা দিবস।

৩। হাতে হাতে মিলিয়ে চলুন প্রতিজ্ঞা করি এই দেশকে যেন আমরা সবুজায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। আমাদের দেশ হয়ে উঠুক স্বচ্ছ এবং সুন্দর।

৪। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দিয়ে যাওয়া সবচেয়ে মূল্যবান উপহার হল স্বাধীনতা।

৫। অনেক শহীদের রক্ত রাঙ্গা আমাদের এই স্বাধীনতা. তাই এই স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের. আমরা নিজেরাই আমাদের দেশকে সর্বসমকক্ষে প্রথম স্থানে নিয়ে যেতে পারি. আজ থেকেই হোক তার শুরু. শুভ স্বাধীনতা দিবস।

৬। একজন স্বাধীন মানুষ হল সেই, যে বিনা দ্বিধায় নিজের চিন্তাকে সম্বল করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে। তাই প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হন বন্ধু।

৭। স্বাধীনতা দিবসের দিন একটা শপথ নেওয়া যাক, আজ থেকে আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করবো যাতে আমাদের দেশ সারা বিশ্বের মধ্যে সেরার সেরা তকমা পায়। স্বাধীনতা দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কয়েকটি স্বাধীনতার উক্তি-

১। “দেশপ্রেম আমাদের ধর্ম এবং আর ধর্ম ভারতের জন্য ভালবাসা” – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

২। “স্বরাজ আমার জন্ম অধিকার এবং আমি তা লাভ করব।” – বাল গঙ্গাধর তিলক।

৩। “মরে যাওয়ার পরেও আমার দেশপ্রেম শেষ হয়ে যাবে না। আমার কবর থেকেও দেশ প্রেমের সুগন্ধই মিলবে” – ভগৎ সিং।

৪। “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব” – সুভাষ চন্দ্র বসু।

৫। “আমরা ভারতীয়। এটাই প্রথম এবং শেষ কথা” – বি আর আম্বেদকর।

৬। “দেশের স্বার্থে কাজ করে যাওয়াটাই প্রতিটি দেশবাসীর প্রধান কর্তব্য” – জওহরলাল নেহেরু।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

চুমু খাওয়া কেন উপকারী জানুন

চুমু খাওয়ার মতো মিষ্টি অনুভূতি কিন্তু খুব কমই হয়। ভালোবাসার প্রকাশ তো বটেই, তার সাথে দু’জন মানুষের পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতার সর্বোচ্চ প্রকাশ হল চুম্বন। আর এই ঠোঁটে চুম্বন করলেই মেলে শারীরিক নানা উপকার। হ্যাঁ, একেবারে ঠিকই শুনেছেন! শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে চুমু খেলে একাধিক জটিল রোগের প্রকোপও কমে। তাই তো আপনাদের জীবনে যাতে ভালোবাসার অভাব না হয়, আর সেই সঙ্গে শরীরও যাতে চাঙ্গা থাকে, তা সুনিশ্চিত করতেই আজ আপনাদের জানাবো এমন কিছু Kissing Benefits অর্থাৎ চুম্বনের নানা স্বাস্থ্যকর দিক যা পড়তে পড়তে আপনাদের চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! তাই আর দেরি না করে পড়তে থাকুন চুমু খাওয়ার নানা উপকারিতা।

১। ভালোবাসার মানুষকে রোজ চুমু খেলে মন ভালো থাকে। নান ধরণের স্ট্রেস, প্রবল মানসিক অশান্তি দূর হয় প্রেমিককে/প্রেমিকাকে চুমু খেলে।

২। শুনলে হয়তো অবাক হবেন, দাঁতের স্বাস্থ্যরক্ষায় চুম্বন ভীষণ উপকারী। পরস্পর পরস্পরকে চুমু খাওয়ার সময় তাদের লালা মিশে যায় এবং তাতেই দাঁত, মাড়ি আর মুখের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। এইভাবে প্রতিদিন চুমু আপনার দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৩।  চুমু খাওয়ার সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীরের শিরা আর ধমনীগুলো প্রসারিত হয়, তাতে শরীরে রক্ত স্বচ্ছন্দে প্রবাহিত হতে পারে এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪। আপনি জানেন কি চুমু খেলে প্রতি মিনিটে প্রায় ২-৬ ক্যালরি বার্ন হতে পারে।

৫। মুখের ব্যায়ামের জন্য চুমু আদর্শ। চুমু খেলে মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে কোলাজেন উৎপাদনও বাড়ে। মুখের ত্বক টানটান ও সতেজ থাকে।

৬। চুমু খেলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৭। চুম্বন আমাদের হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে।

৮। আয়ু বৃদ্ধি পায় চুমু খেলে, তাই যতই ব্যস্ত রুটিন হোক না কেন, হাতে অল্প সময় বার করে ভালবাসার মানুষটিকে একটু আদর করতে ভুলবেন না যেন।

তাই যত খুশি চুমু খান আর সুস্থ থাকুন!

একটা টমেটো যা আপনার স্কিনের সমস্ত সমস্যাকে করবে গুড বাই

ঘরোয়া রূপচর্চায় টমেটোর কোনো বিকল্প নেই। শরীরের পাশাপাশি ত্বকের খেয়াল রাখতেও টমেটো বিশেষ ভাবে কার্যকারী। খুব অল্প সময়েই টমেটো রুক্ষতা দূর করে ত্বকের জেল্লা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
এছাড়াও ব্রণ, ফুসকুড়ি, অ্যাকনে দূর করতে টমেটো জুসের ব্যবহার করা হয়। জেনে রাখুন কয়েকটি ঘরোয়া রূপচর্চা টিপস ও Tomato Face Pack যেগুলি ত্বকের সৌন্দর্য্য ফেরাতে সাহায্য করে ও ত্বক রাখে ঝলমলে।

ঘরোয়া রূপচর্চায় টমেটোর উপকারিতাঃ

১। টমেটো প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। টমেটোর রসে সামান্য চিনি মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক করে তোলে কোমল ও সুন্দর।

২। সানবার্ন ও ট্যান দূর করতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। টমেটোর রস নিয়মিত মুখে লাগালে ত্বকের কালচেভাব অনেকাংশে দূর হয়।

৩। টমেটো ত্বকের লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। টমেটো রসে সামান্য পরিমাণে চালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে ত্বকে আলতো করে ঘসলেই মুখের সমস্ত ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়।

৪। ত্বকে ময়েশ্চার ফিরিয়ে আনতেও টমেটো বিশেষ উপকারী। টমেটোর রসের সঙ্গে অল্প পরিমাণে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করুন। ত্বকের যৌলুস ফিরে আসবে সহজেই।

৫। স্নানের সময় একটি অর্ধেক টমেটো নিন তারপর সেটাকে পুরো মুখে হালকা করে ঘসে কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের ব্রণ, ফুসকড়ি কম হবে।

টমেটো ফেসপ্যাকঃ

১। একটি টমেটো পেস্ট , ১ চামচ বেসন ও ১ চামচ মধু একটি পাত্রে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এই পেস্টটি ভালো করে সারা মুখে ও গলায় লাগান। কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এই প্যাকটি মুখে একটি তৎক্ষণাৎ গ্লো নিয়ে আসে।

২। টমেটো পেস্ট, ২ চামচ দই ও ১ চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিটের জন্য। এই প্যাকটি ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে ও ত্বক রাখে কোমল।

৩। ত্বকের বার্ধক্যছাপ দূর করতে টমেটো ও পাতিলেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি ক্রুন। তারপর সারা মুখে লাগিয়ে নিন শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

দ্রুত চুল লম্বা, ঘন, কালো ও মজবুত করার তেল

নিয়মিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চুল পড়াটা হলো একটা বিশাল বড় সমস্যা বা চিন্তার বিষয় ও বলতে পারেন। রোজ স্নানের সময়, চুল আঁচড়াতে গিয়ে এত এত চুল ঝরে পড়া দেখে নিশ্চয়ই মনে মনে ভাবেন যে খুব শিগগিরি হয়তো টাক পড়ল বলে। আজকের এই প্রতিবেদনে নতুন চুল গজানোর উপায় নিয়েই কথা বলব। রইল আপনাদের জন্য এমন কয়েকটি তেলের হদিশ যেগুলি চুলের নানা সমস্যার সমাধান করে চুল পড়া বন্ধ করবে এবং সাথে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেওয়া যাক চুল পড়া রোধ করার তেল গুলো ও তাদের গুণাগুণ সম্পর্কে।

১। ক্যাস্টর অয়েল – চুল পড়া কম করতে ক্যাস্টর অয়েল বা রেড়ির তেলের গুণ অসীম। শুধুমাত্র ত্বকের জন্যই না, সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্যও কিন্তু রেড়ির তেলের জুরি মেলা ভার! নিয়মিত রেড়ির তেল চুলে লাগিয়ে মাসাজ করা শুরু করলে চুলের গোড়ায় রক্তসঞ্চালন বেড়ে যায়, যে কারণে হেয়ার ফলের মাত্রা যেমন কমে, তেমনি আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরো- স্ক্যাল্পে ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না। সেই সঙ্গে অসময়েই চুল পাকার আশঙ্কাও যায় কমে। শুধু তাই নয়, পরিবশ দূষণ এবং আরও নানা কারণে যাতে চুলের কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও নজর রাখে রেড়ির তেল।

২। আমন্ড অয়েল – ত্বকের সাথে সাথে চুলের জন্যও এই তেল বেশ লাভজনক। চুল পড়া বন্ধ করতে বাদাম তেল জাদুর মতো কাজ করে। তাছাড়া এই তেলের নিয়মিত ম্যাসাজ চুলের কোয়ালিটিও অনেক ভালো করে। বাদাম তেলে আছে ম্যাগনেশিয়াম যা চুলের জন্য খুব ভালো। যাদের খুব চুল পড়ার সমস্যা আছে বা যাদের চুল নানা কারণে পাতলা হয়ে গেছে তারা চোখ বুঝে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন।

৩। নারকেল তেল – বহু পুরনো কাল থেকেই সুন্দর ও ঝলমলে চুলের জন্য নারকেল তেলের ব্যবহার করা হয়। এই তেল চুল লম্বা আর মজবুত করার সাথে সাথে রুক্ষ ও শুষ্ক চুলে ময়েশ্চার আনতে সাহায্য করে। নারকেল তেলের মধ্যে সামান্য কর্পূর মিশিয়ে সেই তেল স্ক্যাল্পে লাগালে খুশকি দূর হয় তাড়াতাড়ি। তাছাড়াও স্প্লিট এন্ডস দূর করতে এই তেল দুর্দান্ত কার্যকারী।

৪। সরিষার তেল – এই তেল চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, চুল পড়া কমায় এবং অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে। সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া সপ্তাহে ৩-৪ দিন নিয়ম করে প্রতি রাতে চুলের গোঁড়া থেকে ডগা পর্যন্ত সরিষার তেল লাগালে চুল মজবুত হওয়ার সাথে সাথে চুল ন্যাচারালি কালো হয়।

লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক ও শেয়ার করতে ভুলবেন না।

আপনার প্লে লিস্টে অবশ্যই রাখুন এই সেরা বাংলা ছবির গান গুলো

গান হলো সবচেয়ে ভালো বন্ধু, গানের চেয়ে ভালো বন্ধু আর কেউ নেই – আপনি মানুন বা নাই মানুন, কথাটা কিন্তু সত্যি। সুখ-দুঃখ সব সময়ের সাথী হলো গান। মন খারাপ থাকলে, ভালো থাকলে, আনন্দে-উল্লাসে প্রতিটি  মুহূর্তে সঙ্গ দেয় গান। আজকের এই প্রতিবেদন কয়েকটি সেরার সেরা বাংলা আধুনিক গান নিয়ে। কিছু কিছু বাংলা গান যেগুলো কোনও দিন পুরনো হবে না। রইল কয়েকটি সুপারহিট বাংলা আধুনিক গানের সঙ্কলন শুধুমাত্র আপনার জন্য। ইচ্ছে হলে এই গান গুলো আপনি স্টেটাস আপডেটও দিতে পারবেন-

১| আকাশ প্রদীপ জ্বলে

২| আকাশ ভরা সূর্য তারা

৩| আজ ফিরে না গেলেই কি নয়

৪| আজ নয় গুন গুন গুঞ্জন প্রেমে

৫| আমার একদিকে শুধু তুমি

৬| হাওয়া মেঘ সরায়ে ফুল ঝরায়ে

৭|হায় কি যে করি এ মন নিয়া

৮| ২৪৪১১৩৯

৯| হাসি-গানে কত না জীবন্ত এ-শহর প্রান্ত

১০| সুন্দরীগো দোহাই দোহাই

১১| সে তো এলো না

১২| সেই দুটি চোখ তোমায় তোমার

১৩| সে প্রথম প্রেম আমার নীলাঞ্জনা

১৪| সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা

১৫| সেদিনও আকাশে ছিল কত তারা

১৬| স্বপন যদি মধুর এমন

১৭| হাওয়া ঝির্ ঝির্ খুশি রিম ঝিম

১৮| সব লাল পাথরই তো চুনি হতে পারে না

১৯| সহেলী গো কী নামে তোমায় বলো ডাকি

২০| সারাবেলা আজি কে ডাকে

২১| রিনিক ঝিনিক ছন্দে

২২| যদি হঠাত আবার দেখা হয় দুজনার

২৩| যবে শেষের প্রহরে হারানোর সুরে ফুল পল্লব ধরবে

২৪| যাওয়ার আগে যাব না আমি তোমাকে না বলে

২৫| যেখানেই থাকো যত দূরে তুমি থাকো

২৬| যেতে দাও আমায় ডেকোনা

২৭| রঞ্জনা আমি আর আসব না

২৮| ময়ূরকণ্ঠী রাতেরও নীলে

২৯| যখন কেউ আমাকে পাগল বলে

৩০| মাধবী মধুপে হল মিতালী

৩১| বাজল ছুটির ঘণ্টা

৩২| না বলে এসেছি তাবলে ভেব না না বোলে বিদায় নেব

৩৩| মাধবী মধুপে হল মিতালি

৩৪| তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়

৩৫| বাঁশি বুঝি সেই সুরে আর ডাকবে না

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

এক ঝলকে দেখে নিন টলিউডের সেরা সুন্দরী নায়িকাদের লিস্ট

টলিউডে সুন্দরী নায়িকাদের অভাব নেই। সেই সাদা কালো পর্দায় মোহময়ী হাসি আর আসাধারন অভিনয় প্রতিভাতে সকলের মন জিতে নেওয়া সুচিত্রা সেন হোক বা রঙিন পর্দার ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বাংলা সিনেমার ইতিহাসে বরাবরই সৌন্দর্যের সাথে অভিনয়ের সমান দক্ষতা দেখিয়ে এসেছে তৎকালীন বাঙালি অভিনেত্রীরা। সাল ২০১৯ এর বাঙালি নায়িকা, যাঁরা বর্তমানে দাপটের সঙ্গে পর্দায় অভিনয় করছেন, রইল তাঁদের একটি ছোট্ট তালিকা। ক্ষুদ্র পরিসরে এঁদের নিয়ে আলোচনা করাটা বেশ কষ্টসাপেক্ষ! কারন এনারা প্রত্যেকেই নিজ-নিজ গুণে দর্শকের মনে বাসা বেঁধে রয়েছেন। তাহলে আসুন আর দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক দর্শকদের নিরিখে কোন কোন Bengali Actresses রয়েছেন সেরার তালিকায় যারা বর্তমানে টলিউড মাতাচ্ছেন।

১। রাইমা সেন – বাংলা সিনেমার “হার্টথ্রোব” রাইমা সেন- এই কথাটা হয়ত ভুল হবে না। টলিউডের সেরা সুন্দরীদের তালিকাতে একেবারে প্রথমেই রয়েছেন সুচিত্রা সেনের নাতনী রাইমা সেন৷ ঘরোয়া সাজ থেকে বোল্ট লুক সবেতেই সমানভাবে সাবলীল রাইমা। টলিউড থেকে বলিউড সর্বত্রই কাজ করেছেন তিনি ৷ 

রাইমার অভিনীত কয়েকটি অসাধারণ বাংলা সিনেমা – চোখের বালি, বাইশে শ্রাবণ, বাস্তুশাপ, দ্য বং কানেকশন ইত্যাদি। 

২। কোয়েল মল্লিক – আধুনিক যুগে প্রথম সারির নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। যেরকম শান্ত তিনি স্বভাবে সেরকমই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একেবারেই বিতর্কে যেতে অপছন্দ করেন। প্রথম সারির সেরা অভিনেতাদের সঙ্গে একাধিক কাজ করেছেন কোয়েল বাংলা সিনেমাতে।

কোয়েলর অভিনীত কয়েকটি জনপ্রিয় বাংলা সিনেমা – প্রেমের কাহিনী, পাগলু, হেমলক সোসাইটি ইত্যাদি। 

৩। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় – মিডিয়া মহলে সবসময় নানা কারনে বিতর্কে থাকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় প্রকৃত অর্থে মিলেনিয়ামের নায়িকা। মূল ধারার ছবির পাশাপাশি একের পর এক সাহসী ছবিতে অভিনয় করে বাংলা ছবিকে এক অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিতে তাঁর অবদান কোনো অংশেই কম নয়। 

স্বস্তিকার অভিনীত কয়েকটি জনপ্রিয় বাংলা সিনেমার তালিকা – ভূতের ভবিষ্যৎ, মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর, সাহেব বিবি গোলাম ইত্যাদি।

৪। শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় – টলিপাড়ার সেরা সুন্দরীদের মধ্যে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় যে অন্যতম তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। চ্যাম্পিয়ন ছবি থেকে সকলের মনে জায়গা করে নেওয়া মিষ্টি শ্রাবন্তীর অভিনয় প্রত্যেকের মনে তাঁর জন্য আলাদাই জায়গা করে তুলেছে।

শ্রাবন্তীর অভিনীত কয়েকটি সেরা বাংলা সিনেমা – অমানুষ, শুধু তোমারি জন্য, গয়নার বাক্স ইত্যাদি। 

৫। মিমি চক্রবর্তী – শুধু যে সৌন্দর্যে কাবু করেছেন দর্শকদের তা নয়, একাধিক ভূমিকায় অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই সকলের নজরে সেরার তালিকাতে নাম লিখিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। চ্যালেঞ্জিং, স্মার্ট ও বোল্ড লুকে তিনি একের পর এক হিট বাংলা ছবি দিয়ে প্রত্যেক দর্শকের মন তিনি জিতে নিয়েছেন।

মিমির অভিনীত কয়েকটি সেরা বাংলা সিনেমার তালিকা – যোদ্ধা, গল্প হলেও সত্যি, গ্যাংস্টার ইত্যাদি।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

শ্রী কৃষ্ণের অমৃত বানী ও ভজন গীত

শ্রাবণ এলেই ঝুলন ও রাখির কথা মনে পড়ে। শ্রাবণ মাসের শুক্লা একাদশী থেকে শুরু করে পূর্ণিমা পর্যন্ত চলে ঝুলন উৎসব (Jhulan Festival)। এই উৎসবটি এককালে শুরু হয়েছিল বিভিন্ন মঠ-মন্দিরে। মন্দিরে দেবতাকে দোলনায় বসিয়ে দোলানো হত আর তা দেখতেই বিপুল ভক্তের সমাগম হত। পরবর্তীকালে বিভিন্ন গৃহে শ্রীকৃষ্ণ পূজিত হতে শুরু করেন এবং তারই সঙ্গে নানাবিধ নিয়ম সহযোগে ঝুলন উৎসবও শুরু হয়। আজ এই ঝুলন উপলক্ষ্যেই আপনাদের জন্য রইল শ্রী কৃষ্ণের কয়েকটি অমৃত বানী ও ভজন গীত। এই Krishna Quotes গুলি জীবনে সঠিক মার্গ দর্শনের সাথে সাথে কঠিন পরিস্থিতির থেকে মুক্তি লাভেও সাহায্য করবে।

ভগবান শ্রী কৃষ্ণের অমৃত বানীঃ-

১| বৃক্ষের ন্যায় শান্ত সেবক আর কে আছে।
আগুনে পুড়ছে তবুও সে সেবা করে যাচ্ছে।।
তার গুণের দিকে তাকিয়ে সেবক যদি হও।
নিশ্চয় জীবন সার্থক হবে যদি তুমি চাও।।

২| সূর্য আপন তেজে সবার সেবা করে চলেছে।
তার সেবার মধ্যে দেখো কোন ভাগ না আছে।।
জাতি- ধর্ম কোন কিছু তাকে স্পর্শ না করে।
তাকে দেখেই তো মানুষ সত্য জ্ঞান নিতে পারে।।

৩| সেবায় পরম ধর্ম বায়ু দেখিয়ে চলেছে।
তার সেবায় দেখো কেউ বাদ না পড়েছে।।
সকলের কথা চিন্তা করে সে সর্বস্থানে রয়েছে।
মানুষকেও তো সে তার মতো সেবক হতে বলছে।।

৪| আকাশ কিভাবে বৃষ্টি সৃষ্টি করে সেবা করছে।
কিভাবে সকলের মাঝে সে সেবক হয়ে রয়েছে।।
তার তো কোন অহংকার নেই সেবক হয়ে।
নাম প্রচারের জন্য ধর্না দেয় না কোথাও গিয়ে।।

৫| জলের সেবার দিকে তোমরা তাকিয়ে দেখো।
তার মতো সেবক-এর কথা কি মনে রাখো।।
সে কি অহংকার করে নিজের সেবার কথা বলে।
দেখো সে সেবক হয়ে কোন পথে চলে।।

শ্রী কৃষ্ণের ভজন গীতঃ-

(১)
এইবার করুণা কর বৈষ্ণব-গোসাঞি।।
পতিতপাবন তোমা বিনে কেহ নাই।
যাঁহার নিকটে গেলে পাপ দুরে যায়।।
এমন দয়াল প্রভু কেবা কোথা পায়?
গঙ্গার পরশ হইলে পশ্চাতে পাবন।
দর্শনে পবিত্র কর–এই তোমার গুণ।।
হরিস্থানে অপরাধে তারে হরিনাম।
তোমা-স্থানে অপরাধে নাহিক এড়ান।।
তোমার হৃদয়ে সদা গোবিন্দ-বিশ্রাম।
গোবিন্দ কহেন-মম বৈষ্ণব-পরাণ।।
প্রতি জন্মে করি আশা চরণের ধূলি।
নরোত্তমে কর দয়া আপনার বলি।।

(২)
কি দিয়ে পুঁজিবো তোমায়
মন্ত্র নাহি জানি,
তুমি যে দয়ার সাগর
রক্ষা করো আমায় হে সর্বজ্ঞানী।।
তুমি দয়াল হরি দিনের দ্বীনবন্ধু
থাকো সকল হৃদয় মাঝে-
তোমারে প্রনতি জানাই প্রভূ
সকাল-দুপুর সন্ধ্যা সাজে ।।
তোমার কালেতে কি নিয়েছি জন্ম
জানিনা শুনেছি কি না তব বাঁশীর সুর,
আজি কৃপা করে করো হে প্রভূ
আমার মানব জনমের সকল দুঃখ ব্যাথা দূর।।
তুমি ধন্য হে প্রভূ অসীমও দয়ার সাগর
জন্ম দিয়েছো মোরে মানব কুলে,
প্রভূ তোমায় বারংবার প্রণাম জানাই
কভূ যেন যাই না তোমায় ভূলে।।
যদি তুমি দেখা না দাও গো প্রভূ
দুঃখ নাহি রাখিবো মনে,
শুধু এইটুকু প্রার্থনা মোর প্রভূ
যেন মৃত্যুকালে কৃষ্ণ নাম যায় আমার সনে।।

।।হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

রাখি স্পেশাল উপহার ও সাথে নানা শুভেচ্ছা বার্তা

উৎসবের মূল মন্ত্রই হল মিলন এবং ঐক্যের সুর। রাখি বন্ধন হল সেই রকমই একটি পারিবারিক মিলনের উৎসব। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমার দিনে রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হয়। বোন কিংবা দিদি এই দিনে তার ভাই বা দাদার হাতে রাখির সুতো বেঁধে দেয়। রাখি কথাটি মূলত এসেছে ‘রক্ষা’ থেকে। সেইজন্য হিন্দি ভাষায় একে রক্ষাবন্ধন উৎসবও (Raksha Bandhan) বলা হয়। এই রাখি বন্ধনের মধ্যে থাকে ভাই এর জন্য বোনের অগাধ ভালোবাসা ও আন্তরিক শুভকামনা, উল্টো দিকে ভাই এর মনে থাকে বোনকে কে রক্ষা করার দায়িত্ব ও কর্তব্য বোধ। সারাদিন দেদার খানা-পিনার আয়োজনের সাথে সাথে নানা রকমের উপহার আদান-প্রদানও হয়ে থাকে ভাই-বোনেদের মাঝে। আজ সেরকমই কিছু উপহারের লিস্ট নিয়ে এসেছি যেগুলো আপনি এই বছর আপনার ভাই বা বোনকে রাখিতে গিফট হিসেবে দিতে পারেন। দেখে নিন বাজেটের মধ্যেই বাছাই করা কিছু Raksha Bandhan Gifts, এছাড়াও এর সাথে আপনাদের জন্য রইল রাখি স্পেশাল কয়েকটি শুভেচ্ছা বার্তা যেগুলি আপনার এই বিশেষ দিনটিকে আরও সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেওয়া যাক –

ভাই ও বোনের জন্য রাখি স্পেশাল উপহার:

১। আপনার বোন বা দিদিকে আপনি উপহার হিসেবে ব্যাগ দিতে পারেন। অনলাইন বা অফলাইন দুটোতেই আপনি কম খরচে নানা ধরনের কালেকশন পেয়ে যাবেন। এছাড়া যদি আপনার বাজেট বেশি থাকে তাহলে আপনি ডিজাইনার ব্যাকপ্যাকও দিতে পারেন।

২। আপনার বোন বা দিদি যদি মেকআপ করতে পছন্দ করে তাহলে গিফট হিসেবে দেওয়ার জন্য সেরা অপশন হলো মেকআপ ও বিউটি প্রোডাক্ট। এমন উপহার পেলে যে মেয়েরা বেজায় খুশিই হবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৩। রাখির উপহার হিসেবে আপনি আপনার দাদা বা ভাইকে DIY Gifts (হাতে তৈরি উপহার), কার্ড, স্ক্র্যাপবুকও তৈরি করে দিতে পারেন।

৪| আজকাল ফোন ছাড়া তো দুনিয়া অচল! তাই রাখির উপহার হিসেবে আপনি পাওয়ার ব্যাঙ্ক দিলে সেটা আপনার দাদা বা ভাই এর বেশ কাজেই আসবে।

৫| এছাড়াও ভাই-বোন দু’জনেই সেইদিন ছুটি প্ল্যান করে সপরিবারে পছন্দের কোনো জায়গা কিংবা কাছে পিঠে কোথাও ঘুরে আসতে পারেন। তাতে রাখির দিনটা কিন্তু কোনভাবেই মন্দ কাটবে না।

রাখি বন্ধন স্পেশাল শুভেচ্ছা:

রাখি বন্ধন উৎসবটিকে আরও জমজমাট করে তোলার জন্য রইল এই উৎসব উপলক্ষ্যে কয়েকটি স্পেশাল রাখি বন্ধন শুভেচ্ছা বার্তা। যেগুলো আপনি এই বিশেষ দিনে আপনার ভাই ও বোনেদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

১। এই বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ভাইয়ের জন্য রাখির অনেক শুভেচ্ছা।

২। রাখি বন্ধনের এই শুভ মুহূর্তে আমি আমার প্রিয় বোনকে প্রতিশ্রুতি দিতে চাই যে জীবনের সকল খারাপ পরিস্থিতিতে আমি তার পাশে দাঁড়াব, কখনই তোকে একা ছেড়ে দেবো না। হ্যাপি রাখি।

৩। রাখি বন্ধনের এই বিশেষ দিনে আমার সমস্ত ভালোবাসা আর স্নেহ তোর জন্য, শুভ রাখি।

৪। কাছে দুরে যেখানেই থাকি দাদা আমার এই রাখি তোকে রক্ষা করবে, সব বিপদ কাটাবে ও আমার কথা মনে করাবে, শুভ রাখি দাদা ভালো থাকিস।

৫। ঈশ্বরকে আমি আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যে তিনি আমাকে একটা এত যত্নবান বোন্ উপহার দিয়েছেন। তিনি যেন সবসময় আমার বোনকে সুখী রাখেন। শুভ রাখি বন্ধন বোন।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

চুল পড়া রোধ করতে ট্রাই করুন ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক

নিয়মিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চুল পড়াটা হলো একটা বিশাল বড় সমস্যা বা চিন্তার বিষয় ও বলতে পারেন। রোজ স্নানের সময়, চুল আঁচড়াতে গিয়ে অস্বাভাবিক চুল ঝরে পড়া দেখে নিশ্চয়ই মনে মনে ভাবেন যে খুব শিগগিরি হয়তো টাক পড়ল বলে। কিন্তু এখন আর ভাবার বা চিন্তার কোনো কারন নেই। আজ এমনই কয়েকটি চুল পড়া বন্ধ করার উপায় নিয়ে কথা বলব। কয়েকটি ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক ও তার গুণাগুণ যেগুলো খুব সহজেই আপনার চুল পড়া রোধ করবে। তাহলে আর দেরি না করে চলুন দেখে নেওয়া যাক –

১| যাদের খুশকির সমস্যা সারা বছরই লেগে থাকে এই হেয়ার মাস্কটি তাদের জন্য –
২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলে দু-তিন ফোঁটা ইউক্যালিপটাস এসেনশিয়াল অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর ধীরে ধীরে মিশ্রণটি সারা স্ক্যাল্প ও চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা এই মিশ্রণটি লাগিয়ে রেখে তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে খুশকির সমস্যা অনেকটা দূর হবে।

২| অনেকেই এমন আছেন যাদের রোজ মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়ে যাচ্ছে, এই মাস্কটি তাদের কাজে লাগবে – চুল পড়া বন্ধ করতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুব দরকার। একটি পাত্রে ডিমের কুসুম, এক চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল আর দু-চামচ মধু মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর সারা স্ক্যাল্পে ও চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত এই মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা রেখে ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন।
এতে আপনার চুল পড়া তো কমবেই সাথে চুলে ভীষণ সুন্দর ভলিউম ও অ্যাড করবে।

৩| ড্রাই হেয়ার বা শুষ্ক, নিষ্প্রাণ চুল যাদের এই হেয়ার মাস্কটি তাদের জন্য –
শুষ্ক চুলে হট অয়েলের মাসাজ খুব উপকারী । দু-টেবিল চামচ আমন্ড অয়েলের সাথে দু-টেবিল চামচ অলিভ অয়েল আর দু-টেবিল চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন। তারপর চুলে ভালো করে তেলটা মেখে একটি মাঝারি মাপের তোয়ালে দিয়ে জড়িয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। এই মাস্কটি চুলে ময়েশ্চার অ্যাড করতে সাহায্য করে।

অসংখ্য ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

স্বাধীনতা দিবস পালনে কয়েকটি সেরার সেরা দেশাত্মবোধক গান ও সিনেমার তালিকা

১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনে একটা আলাদাই জায়গা রাখে। স্বাধীনতা নিয়ে আমরা নানা গান শুনি, সিনেমা দেখি, লোকজনকে দেশাত্মবোধক মেসেজ পাঠাই! এবার একটু অন্যরকম ট্রাই করুন। এমন কয়েকটি সিনেমা ও গানের সম্ভার যেগুলি দেখলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে স্বাধীনতার সময়কার সেই লড়াই। তাই আপনাদের সাহায্য করতে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সেরকমই কয়েকটা দেশাত্মবোধক গান ও দেশাত্মবোধক সিনেমা নিয়ে এসেছি যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস।

ভারতের স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িত কয়েকটি দেশাত্মবোধক গান

এই গান গুলো যেগুলো দেশাত্মবোধ জাগ্রত করতে সাহায্য করবে।

১| জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে (জাতীয় সঙ্গীত)

২| ও আমার দেশের মাটি/ তোমার পরে ঠেকাই মাথা – কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩| আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি – কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪| বাংলার মাটি বাংলার জল – কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৫| ওরে আজ ভারতের নব যাত্রাপথে – কবি কাজী নজরুল ইসলাম

৬| ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা – দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

৭| উঠ গো ভারত লক্ষ্মী, উঠ আদি জগত জন পুজ্যা – অতুলপ্রসাদ সেন

৮| বল বল সবে শত বীণা বেনু রবে, ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে – অতুলপ্রসাদ সেন

৯| ধন্য আমি জন্মেছি মা তোমার ধূলিতে – সলিল চৌধুরী

১০| কারার ঐ লৌহ কপাট – কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জনপ্রিয় কয়েকটি দেশাত্মবোধক সিনেমা

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই নানা ধরনের সংগ্রামী সিনেমার মাধ্যমে স্বদেশচেতনা জাগ্রত করে রেখেছে বলিউডের এই সিনেমা গুলি।

১| বর্ডার (Border)

২| রঙ দে বসন্তি (Rang de basanti)

৩| দ্য লিজেন্ট অফ ভগৎ সিং (The legend of bhagat singh)

৪| এল ও সি কারগিল (LOC Kargil)

৫| উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক (URI)

৬| রাজি (Razi)

৭| মঙ্গল পাণ্ডে (Mangal pandey)

৮| মাদার ইন্দিয়া (Mother India)

৯| দ্য ঘাজি অ্যাটাক (The Ghazi Attack)

১০| স্বদেশ (Swades)

এছাড়াও আপনি এই বিশেষ দিনে দেখতে পারেন – লাগান (Lagaan), চাক দে ইন্দিয়া (Chak de india), পূরব ওর পশ্চিম (Purab aur paschim), গদর (Gadar), ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milka Bhaag), লক্ষ্য (Lakshy)।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

Design a site like this with WordPress.com
শুরু করুন