সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে এই ভালোবাসার কবিতা ও উক্তি সমূহ

ভালোবাসার থেকে পবিত্র জিনিস আর কিছুই নেই জগতে। আর যেখানে ভালোবাসা সেখানেই মনোমালিন্য, রাগ, অভিমান, ঝগড়া এসব তো থাকবেই। নিজের সবচেয়ে কাছের মানুষটির সাথে সমস্ত রকমের টানাপোড়ন দূর করে নতুন ভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলার নামই তো জীবন। আজকের এই প্রতিবেদনে থাকছে সেরকমই কয়েকটি প্রেমের কবিতা, ভালোবাসার কবিতা ও উক্তি যেগুলি আপনি আপনার প্রিয়জনকে পাঠাতে পারেন।

১। তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার
জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়
গাঁথিয়াছে গীতহার,
কত রূপ ধরে পরেছ গলায়,
নিয়েছ সে উপহার
জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।

২। নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে
রয়েছ নয়নে নয়নে,
হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে
হৃদয়ে রয়েছ গোপনে।
বাসনা বসে মন অবিরত,
ধায় দশ দিশে পাগলের মতো।
স্থির আঁখি তুমি ক্ষরণে শতত
জাগিছ শয়নে স্বপনে।

৩। আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছি যুগলপ্রেমের স্রোতে
অনাদি কালের হৃদয়-উৎস হতে।
আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা কোটি প্রেমিকের মাঝে
বিরহবিধুর নয়নসলিলে, মিলনমধুর লাজে–
পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।

৪। আমি আশায় আশায় থাকি
আমার তৃষিত আকুল আঁখি
ঘুমে-জাগরণে-মেশা প্রাণে স্বপনের নেশা
দূর দিগন্তে চেয়ে কাহারে ডাকি
বনে বনে করে কানাকানি অশ্রুত বাণী,
কী গাহে পাখি
কী কব না পাই ভাষা, মোর জীবন রঙিন কুয়াশা

৫। শুভ মিলন লগনে বাজুক বাঁশি,
মেঘমুক্ত গগনে জাগুক হাসি
কত দুখে কত দূরে দূরে আঁধারসাগর ঘুরে ঘুরে
সোনার তরী তীরে এল ভাসি
পূর্ণিমা-আকাশে জাগুক হাসি
ওগো পুরবালা
আনো সাজিয়ে বরণডালা,
যুগলমিলনমহোৎসবে শুভ শঙ্খরবে
বসন্তের আনন্দ দাও উচ্ছ্বাসি
পূর্ণিমা-আকাশে জাগুক হাসি

প্রিয় মানুষটির জন্য কয়েকটি ভালোবাসার উক্তি –

১। “তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন” – কাজী নজরুল ইসলাম

২। “আমার তৃষ্ণা তোমার সুধা তোমার তৃপ্তি আমার সুধা” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৩। “তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়
সে কি মোর অপরাধ ?
চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিনী,
বলে না তো কিছু চাঁদ।” – কাজী নজরুল ইসলাম

৪। “যাকে ভালোবাসো, তাকে চোখের আড়াল করোনা” – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

৫। “রাত্রিভর স্বপ্ন দেখে ভোরসকালে ক্লান্ত
যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা, সে যদি তা জানতো” – নির্মলেন্দু গুন

দেখে নিন বাঙ্গালী নারীদের পছন্দের সেরা ৫ টি শাড়ি

বাঙ্গালী নারীদের সবচেয়ে পছন্দের পোশাক হলো শাড়ি। পুজো হোক বা বিয়েবাড়ি, স্কুল কলেজে হোক বা ঘরোয়া কোন প্রোগ্রাম – প্রতিটি অনুষ্ঠানেই শাড়ি থাকবেই। আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাদের জানাবো জনপ্রিয় Bengal Cotton Sarees এর মধ্যে সেরা ৫ টি কটন শাড়ি সম্বন্ধে। তাহলে আর দেরি না করে আসুন দেখে নেওয়া যাক বাংলার সেরা সুতির শাড়ি কোনগুলি –

১। তাঁতের শাড়ি –

বাঙালী নারীদের পছন্দের শাড়ির মধ্যে প্রথম দিকেই তাঁতের শাড়ির নাম থাকে। এই শাড়ি বাংলার আবহাওয়া সংস্কৃতির সঙ্গে একেবারে মানানসই। বাঙালি নারীর সঙ্গে তাঁতের শাড়ির সম্পর্ক আজকের নয় বহু দিনের। এ শাড়িতেই যেন ফুটে ওঠে বাঙালি নারীর চিরায়ত রূপ। এর নকশাতেও থাকে স্থানীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া। পাড়ের নকশাই বলুন কিংবা শাড়ির জমির বুটি, ফুল পাতা কলকা ডিজাইনের সবটাই একান্তভাবে বাংলার নিজস্ব। তাঁতের শাড়ি সারা বছর পরা যেতে পারে। তাঁতের শাড়ির পাড়েই সমস্ত আকর্ষণ। মোটা বা চিকন যে কোনো পাড়ের তাঁতের শাড়িই সব সময় ব্যবহারের জন্য বেস্ট অপশন। কিন্তু গরমকালে তাঁতের শাড়ি হলো সবচেয়ে আরামদায়ক। গরমকালে অতিরিক্ত ঘাম হয় তাই এমন জাতীয় পোশাক পরা ভালো যেগুলো ঘাম শুষে নিতে পারে।

২। জামদানি –

বাংলার শাড়ি প্রেমী নারীদের পছন্দের তালিকায় অন্যতম হলো ঢাকাই জামদানি শাড়ি। যা বোনা হয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় তাই এর নাম ঢাকাই জামদানি। জামদানি শাড়ি হাতে বোনা হয় তাই এই শাড়ির ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম, নিখুঁত এবং মসৃণ। প্রতিটি সুতো কারিগরেরা হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। যত সূক্ষ্ম সুতোর কাজ, তত দামি জামদানি! ঢাকাই ছাড়াও আরো তিন রকমের জামদানি পাওয়া যায় – ধনিয়াখালি, শান্তিপুরি ও টাঙ্গাইল।

৩। হ্যান্ডলুম কটন –

আজকাল ফ্যাশান দুনিয়াতে সবার মন জয় করে নিয়েছে এই হাল আমলে আবিষ্কৃত হ্যান্ডলুম শাড়ি। ওজনে অনেক হালকা এবং পরনে তুলতুলে নরম বলে আধুনিক যুগে এই শাড়ি প্রত্যেকেরই পছন্দের তালিকাতে এক নম্বরে। বাংলার গ্রামে-গ্রামে এই শাড়ি বোনা হয়। তাঁতিদের জন্য এই শাড়ি বোনা অপেক্ষামূলক ভাবে সহজ বাকি শাড়ির তুলনায় ও কম পরিশ্রমের এবং জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি তাই রোজগারও বেশ ভালো হয় এতে।

৪। বাটিক প্রিন্ট –

বাটিক অতি প্রাচীন একটি শিল্প। বাটিক হল আসলে শাড়ি রং করার একটি প্রক্রিয়া। বাটিক প্রিন্টের শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া ইত্যাদি দেখতে ভীষণ আকর্ষণীয়, আরামদায়ক ও অতি সুলভেই পাওয়া যায় বলে এটি সহজেই সবার মনে স্থান করে নিয়েছে।

৫। ছাপা শাড়ি –

এই ধরনের শাড়ির আসল চমক এর ছাপায় মানে প্রিন্টে তাই এর নাম ছাপা শাড়ি। এই শাড়ি পড়ার মজাই আলাদা। এই শাড়ি পুরো সুতির এবং বেশ আরামদায়ক হয় তাই এটি বিশেষত ঘরোয়া শাড়ি হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।

ঠোঁটে আনুন গোলাপি আভা এই ৫ টি ঘরোয়া উপায়ে

নরম তুলতুলে গোলাপি ঠোঁট পেতে কে না চায়? এখনকার দিনে সুন্দর ত্বকের পাশাপাশি সুন্দর গোলাপী ঠোঁটও প্রত্যেক মেয়ের স্বপ্ন। ঠোঁট সুন্দর থাকলে হাসির সঙ্গে চেহারাতেও ফুঁটে ওঠে সৌন্দর্য। যা দেখতে লাগে ভীষণ আকর্ষণীয় লাগে। কিন্তু ক্ষতিকারক সূর্যরশ্মি, ধূমপান, অ্যালার্জি, হরমন সমস্যা ইত্যাদির কারণে আমাদের ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায় বা ঠোঁটে কালো দাগ ছোপ দেখা যায়। আজ এই রূপচর্চা বিষয়ক প্রতিবেদনে দেখে নিন সহজ কয়েকটি ঘরোয়া Tips For Pink Lips – এই টিপস গুলো নিয়মিত মেনে চললে ঘরোয়া পদ্ধতিতেই নরম, গোলাপি ঠোঁট পাওয়া সম্ভব।

১। লেবুর রস –

ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতে লেবু দারুণভাবে কাজ করে। এক চামচ লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য চিনি বা মধু মিশিয়ে তার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন দিয়ে ঠোঁটে নিয়মিত ঘষলে ঠোঁটের কালচে দাগ দূর হয় অনেকটা। নরম কোনো পুরনো টুথব্রাশের সাহায্যেও এই স্ক্রাবটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।

২। চিনির স্ক্রাব –

চিনি সাধারণত এক্সফোলিয়েটের কাজ করে। ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ঠোঁটের রং হালকা করতে সাহায্য করে চিনির স্ক্রাব। ১ চামচ চিনির সঙ্গে একটু গোলাপ জল মিশিয়ে তারপর ঠোঁটে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। কিছুক্ষণ রেখে হাল্কা গরম জলে ধুয়ে নিন। এছাড়াও আপনি নারকেল তেলের সঙ্গে বড় দানার চিনি মিশিয়ে একটা প্রলেপ তৈরি করে সেটা দিয়েও স্ক্রাবিং করে নিতে পারেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন এই স্ক্রাবগুলি ব্যবহার করলে ঠোঁটের কালচে ভাব ধীরে ধীরে দূর হবে এবং আপনার ঠোঁটে গোলাপি আভা দেখা যাবে।

৩। লিপবাম – 

বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় মুখে সানস্ক্রিন লাগানোর মতো ঠোঁটেও এস পি এফ যুক্ত লিপবাম লাগিয়ে বের হন। তাতে ঠোঁটের নরম ভাব বজায় থাকবে। শিয়া বা কোকোয়া বাটার আছে এমন লিপ বাম বেছে নিন। এই দুটোই আপনার ঠোঁটের জন্য ভালো।

৪। বেদানার রস –

বেদানার রস তৈরি করে ফ্রিজে স্টোর করে রেখে দিন। একটি কটন বলের সাহায্যে অল্প অল্প করে ঠোঁটে প্রতিদিন লাগান। এই রস ঠোঁটে আর্দ্রতার অভাব দূর করবে এবং ঠোঁটের গোলাপি আভাও নিয়ে আসবে।

৫। আমন্ড তেল –

আমন্ড তেল ও মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিন। সেটা দিয়ে ঠোঁটে আলতো করে সপ্তাহে একবার ঘষুন। আমন্ড তেল ঠোঁটে পুষ্টি যোগাবে এবং মধু মৃত কোষ তুলে দেবে। ফলে আপনার ঠোঁট থাকবে নরম,তুলতুলে এবং নানা দাগ ছোপ ও দূরে পালাবে।

রোদে পোড়া ত্বকের কালচে ভাব দূর করার ঘরোয়া উপায়

গরমকালে রোদে ঘুরে বেড়ালে সান ট্যান, ত্বকের কালচে ভাব হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই বলে ঘরে বসে থাকা তো যায় না। আর আপনাদের জানিয়ে রাখতে চাই শুধু গরমকালেই নয় শীত কালেও ট্যান পড়ে ত্বকে। আমাদের প্রত্যেকেরই কম-বেশি রোজ বাইরে রোদে বের হতে হয় কোনো না কোনো কাজে। আর প্রত্যেকেরই অল্প বেশি ট্যান পড়েই থাকে। সামনেই দুর্গা পুজো তাই আপনিও এখন হয়ত ভাবছেন কিভাবে ত্বকের এই কালচে ভাব দূর করবেন আর ত্বকের হারানো ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনবেন। তবে এখন আর মন খারাপ করে লাভ নেই। কারণ আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাকে এমন কয়েকটি ঘরোয়া Tan Removal Face Pack সম্বন্ধে জানাবো যেগুলো সান ট্যান দূর করতে অব্যর্থ! নিয়মিত এই ঘরোয়া টোটকা গুলো ফলো করলে খুব কম খরচেই দ্রুত আপনার এই জেদি ট্যান দূর তো হবেই সাথে আপনার ত্বক ও হয়ে উঠবে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল।

১। টকদই ও লেবুর ফেসপ্যাক –

রোদে পোড়া ট্যান দূর করতে অন্যতম ঘরোয়া উপকরণ হল টকদই৷ যা ট্যান দূর করার সাথে সাথে ত্বকের দাগ-ছোপ ও রুক্ষতাও দূর করে। টকদই ভালো করে ফেটিয়ে তার সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিন। স্নানের আগে এই মিশ্রণটি ভালো করে মুখে, গলায়, ঘাড়ে এবং বাকি ট্যানিং অংশে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাকটি ট্যান দূর করার সাথে সাথে ডেড-স্কিনও দূর করতে সাহায্য করে। ত্বক রাখে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল।

২। লেবুর রস ও মধু –

সান ট্যান দূর করতে লেবু খুব ভালোভাবে কাজ করে। একটি পাত্রে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিন তারপর সেই মিশ্রণটি মুখে,গলায় ও হাতে মেখে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাক ত্বকের সান ট্যানকে দূর করার সাথে সাথে আপনার ত্বককে করে তুলবে উজ্জ্বল ও কোমল। সান ট্যানকে করে দেবে এক্কেবারে ভ্যানিশ।

৩। বেসনের ফেসপ্যাক –

বেসন ত্বককে এক্সফোলিয়েট করার সাথে সাথে রোদে পোড়া ত্বকের কালচে দাগ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে ও কোমল। বেসনের ফেসপ্যাক বানাতে একটি পাত্রে ১ চামচ বেসন, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো, সামান্য কাঁচা দুধ ও গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। তারপর এই পেস্টটি পুরো মুখে এবং বাকি যেখানে ট্যান রয়েছে সেখানে লাগিয়ে নিন। ভালো ফল পেতে এই প্যাকটি অন্তত দুদিন সপ্তাহে ব্যবহার করুন।

জেনে নিন প্রতিদিন মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ঠিক কতটা উপকারি

মাছে ভাতে বাঙালি এই প্রবাদটি নিশ্চই জানা আছে। খাওয়ার পাতে প্রতিদিন মাছ না থাকলে বাঙ্গালীদের যেন তৃপ্তি সহকারে খাওয়া হয় না। তাহলে আজ জেনে নিন প্রতিদিন ডায়েটে মাছের উপকারিতা। রোজের খাদ্যতালিকাতে মাছ রাখা স্বাস্থ্যের পক্ষে ঠিক কতটা উপকারি, এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি সব প্রশ্নের উত্তর।

মাছ খাওয়ার উপকারিতাঃ

১। হৃদ স্বাস্থ্য ভালো রাখে –

মাংস ও ডিমের তুলনায় মাছে অনেক বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা কমায়। কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রনে রাখে।

২। দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় –

মাছের শরীরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রোজের খাবারের তালিকায় মাছ থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

৩। মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় –

নিয়মিত মাছ খেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি হওয়ার সাথে সাথে মানসিক অবসাদও দূর হয়। এছাড়াও মাছ স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং বুদ্ধি বাড়াতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।

৪। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় –

মাছে এমন অনেক জরুরি উপাদান রয়েছে যা শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। প্রতিদিন মাছ খেলে আরথারাইটিস ও ডায়বেটিসের মতো রোগ কাছে ঘেষতে পারে না।

৫। শিশুদের জন্য উপকারী –

নিয়মিত শিশুরা মাছ খেলে তাদের বুদ্ধি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক গুনে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও শিশুদের প্রয়োজনীয় ঘুমের মাত্রা ঠিক থাকে, আইকিউ লেভেলের বিকাশ হয়।

৬। এছাড়াও মাছের উপকারিতা প্রচুর – বাত ও পিত্ত দূর করে, কুষ্ঠ রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে, ক্যানসারের বিরুদ্ধে বেশ ভালো কাজ করে, শরীরের বল বৃদ্ধি করে, রক্তহীনতার সমস্যা দূর করে, মাছ খেলে শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হয় না ইত্যাদি।

মাছের খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে?

আপনি হয়ত শুনলে অবাক হবেন মাছ খাওয়ারও কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। তবে এর বেশির ভাগটাই পরিবেশ ও দূষণ জনিত কারনে। জেনে নিন কি সেই প্রতিক্রিয়া –

১। মাছ চাষের সময় নানান কীটনাশক পদার্থ দিয়ে মাছ চাষ করা হয় যেগুলো মাছের পেটেও উপস্থিত থাকে। তাই গর্ভাবস্থায় মাছ কম খাওয়াই ভালো। নাহলে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২। অনেক সামুদ্রিক মাছ খেলে অ্যালার্জি হওয়ার ও সম্ভাবনা থাকে। তাঁরা নদীর মাছ খেতে পারেন।

৩। অতিরিক্ত মাছ খেলে, মাছে থাকা ভরপুর ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে।

গান্ধীজির এই অনুপ্রেরনা মুলক বাণীগুলি আপনাকে জীবনে পথ দেখাবে

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী ছিলেন দেশের অন্যতম রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন এবং প্রভাভশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে অহিংসা এবং সত্যাগ্রহের পথেও স্বাধীনতা লাভ করা সম্ভব। তিনি প্রত্যেক ভারতবাসীর মনে স্বাধীনতার যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন, তা একদিন ব্রিটিশ রাজকে ধুলোয় মিশিয়ে এই দেশ থেকে বিতারিত করতে বাধ্য করেছিল। তাঁর মতাদর্শ ও বানী এই একুশ শতকেও আমাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য যথেষ্ট। শুধু তাই নয়, নব প্রজন্মদের মনে জমতে থাকা হতাশা এবং স্ট্রেস নিমেষেই দূর করতে, তাঁদের জীবনে সাফল্য আনতে গান্ধীজির বাণীর কোনও বিকল্প হয় না। তাই এই গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে দেখে নিন কিছু বিশেষ Mahatma Gandhi Quotes যা আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে –

১| জীবন নশ্বর, তাকে অমর করতে শেখো – গান্ধীজির এই উক্তি যুগে যুগে তরুণদের নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

২| ইচ্ছা থাকলে ভদ্র ভাবেও সারা বিশ্বকে নড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

৩| লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য চেষ্টার মধ্যেই সম্মান আছে, শুধু লক্ষ্যে পৌঁছনোর মধ্যে নয়।

৪| প্রতিদিন কিছু শেখো, প্রতিদিন পরিণত হও।

৫| যাঁরা দুর্বল, তাঁরা কখনও ক্ষমা করতে পারেন না। কিন্তু যাঁরা মানসিক ভাবে দৃঢ়চেতা, তাঁরাই খোলা মনে অন্যকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। তাই দুর্বল নয়, সবল হওয়ার চেষ্টায় নিজেকে নিয়োজিত করুন।

৬| একজন মানুষের চরিত্র এবং জীবন কতটা সুন্দর হবে, তা নির্ভর করে তাঁর মানসিকতার উপরে। তাই কোনও মানুষকে যদি ভিতর থেকে চিনতে চান, তাহলে তাঁর মানসিকতা কেমন, তা জানার চেষ্টা করুন।

৭| দুর্বল মানুষ ক্ষমাশীল হতে পারে না, ক্ষমা করা শক্তিমানের ধর্ম।

৮| সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে লক্ষ্যে পৌছনোর লড়ার শুরু করার আগে, নিজেকে পরিবর্তন করাটা জরুরি।

৯। শক্তি দেহের ক্ষমতা থেকে আসে না, আসে মনের বলের মাধ্যমে।

১০| জীবনকে এমন ভাবে উপভোগ করতে শিখুন, যেন আজই আপনার শেষ দিন।

১১। পৃথিবীটাকে যেভাবে বদলাতে চাও, ঠিক সেই পরিবর্তনটা তোমার নিজের মধ্যেও আনো।

১২। নেতিবাচক চিন্তাকে কখনই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।

১৩। আমরা আদৌ শক্তিশালী কিনা, তা আমাদের দৈহিক ক্ষমতার চেয়ে মানসিক দিক থেকে আমরা কতটা শক্তিশালী তার ওপর নির্ভর করে বেশি। তাই মানসিক দিক থেকে নিজেকে শক্তিশালী করে তোলাটা জরুরী।

গান্ধীজির এই চিন্তা ভাবনা এই মতাদর্শ আজও সমাজকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে।

এবার ডটার্স ডে তে মেয়েকে সারপ্রাইজ দিন এই সুন্দর উপহার গুলির সাহায্যে

প্রত্যেক শিশুই ভগবানের বানানো সবচেয়ে সুন্দর জিনিস যারা প্রত্যেক মরশুমেই চারিদিকে আনন্দ ছড়িয়ে বেড়ায়। সন্তান তো সন্তানই হয় প্রত্যেক মা বাবার কাছে কিন্তু কন্যা সন্তানেরা যেন একটা আলাদাই জায়গা করে নেয় আমাদের জীবনে। কন্যা সন্তান এমন এক নোঙ্গর যা আমাদের জীবনকে আগলে ধরে রাখে। কিন্তু অনেক সময়ই আমরা ব্যক্ত করে উঠতে পারি না যে তারা আমাদের জীবনে কতটা স্পেশাল আর আমরা তাঁদের কে কতটা ভালবাসি। তবে আর কোনও চিন্তার প্রয়োজন নেই সামনেই ডটার্স ডে (কন্যা দিবস), আদরের মেয়েটির মুখে হাসি ফোটাতে দেখে নিন কিছু বাছাই করা Daughters Day Gift কালেকশন যা এই দিনটিকে আরও একটু স্পেশাল করে তুলতে এবং আপনার মনের ছোট-ছোট অনুভূতিগুলিকে উজাড় করে দিতে সাহায্য করবে –

১। বই – আপনার মেয়ে যদি বই পড়তে ভালোবাসে তাহলে উপহার হিসেবে বইয়ের কোনও বিকল্প নেই। মেয়ের পছন্দ অনুযায়ী বই কিনে তাঁকে গিফট করুন দেখবেন সে ভীষণ খুশি হবে।

২। হোম ডেকর – মেয়েরা ঘর সাজাতে গোছাতে ভীষণ ভালোবাসে। তাই হোম ডেকরের অপশন মন্দ নয়। এক্ষেত্রে আপনি ঘর সাজানোর কোনো শোপিস উপহার হিসেবে দিতে পারেন।

৩। সেন্টেড ক্যান্ডেল – অ্যারোমা ক্যান্ডেল বা সেন্টেড ক্যান্ডেল দিতে পারেন।

৪। পার্সোনালাইসড ফোন কভার – ফোন কভার হলো সেরা অপশন। তাও যদি আবার সেটা পার্সোনালাইসড হয় তাহলে তো ভালো লাগা নিয়ে কোনো প্রশ্নই থাকবে না।

৫। কাস্টোমাইসড কফি মাগ – আপনার মেয়ের সবচাইতে প্রিয় ছবিটি কফি মাগে প্রিন্ট করিয়ে কিংবা নিত্য নতুন ডিসাইন করা পার্সোনালাইসড কফি মাগ উপহার হিসেবে দিতে পারেন।

৬। মেকআপ প্রোডাক্ট – সাজগোজ পছন্দ করে না এমন মেয়েদের সংখ্যা হয়ত খুব কমই হবে। আপনার বাজেট অনুযায়ী কোনো দামী ব্র্যান্ডের পারফিউম, লিপস্টিক বা মেকআপের অন্যান্য জিনিস আপনার মেয়েকে এই ডটার্স ডে তে গিফট করতে পারেন।

৭। স্মার্ট ফোন – এখন যদিও স্মার্ট ফোনের জমানা। বাজারে চলতি কোনো লেটেস্ট মডেলের স্মার্ট মোবাইল ফোন আপনার আদরের মেয়েটিকে গিফট করতে পারেন।

৮। এগুলো বাদেও আপনি হাত ঘড়ি, নোটবুক, পারফিউম সেট, ডিসাইনার ব্যাগ, লাগেজ ট্যাগ, ট্র্যাভেল কিট…ইত্যাদি উপহার হিসেবে দিতে পারেন।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

আদরের মেয়েটিকে প্রান খুলে জানান কন্যা দিবসের শুভেচ্ছা

প্রত্যেক শিশুই হলো প্রকৃতির সন্তান। শিশুরা ভগবানের বানানো সবচেয়ে সুন্দর জিনিস যারা প্রত্যেক মরশুমেই আনন্দ ছড়িয়ে বেড়ায়। সন্তান তো সন্তানই হয় প্রত্যেক মা বাবার কাছে কিন্তু কন্যা সন্তানেরা যেন একটা আলাদাই জায়গা করে নেয় আমাদের জীবনে। কন্যা সন্তান এমন এক নোঙ্গর যা আমাদের জীবনকে আগলে ধরে রাখে। কিন্তু আমরা অনেক সময়ই ব্যক্ত করে উঠতে পারি না বা বলার সুযোগ হয়ে ওঠে না যে আমরা তাঁদের কতটা ভালবাসি। আর কোনও চিন্তার প্রয়োজন নেই সামনেই ডটার্স ডে (কন্যা দিবস), আদরের মেয়েটির মুখে হাসি ফোটাতে পাঠান কিছু বাছাই করা Daughters Day Wishes যা এই দিনটিকে আরও একটু স্পেশাল করে তুলতে এবং আপনার মনের ছোট-ছোট অনুভূতিগুলিকে উজাড় করে দিতে সাহায্য করবে –

১। কন্যা সন্তান হলো ঈশ্বরের দান। তারা মাতা পিতাকে যেমন বোঝে তেমন তাঁদের প্রতি যত্নবানও হন। সুখী জীবন কাটাতে কন্যা সন্তানের সান্নিধ্যে থাকা সৌভাগ্যের বিষয়। শুভ কন্যা দিবস।

২। কন্যা সন্তানরাই পারে বড় হয়ে একদিন বাবা-মায়ের সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠতে। তাই আপনার বাড়ির মেয়েটির সঙ্গেও মন খুলে হাসুন, চোখ খুলে স্বপ্ন দেখুন এবং তাঁকে অফুরন্ত ভালবাসায় ভরে দিন। দেখবেন ভবিষ্যতে কন্যা সন্তানের চাইতে বড় সাপোর্ট আর কিছুই হবে না পৃথিবীতে। হ্যাপি ডটার্স ডে।

৩। সাহস, ত্যাগ, সংকল্প, ভালবাসা, দয়া, প্রতিশ্রুতি – প্রতিটি মেয়ের মধ্যেই এই গুণগুলি থাকা স্বাভাবিক। তাই তো তাঁদের ছাড়া এই সমাজ অসম্পূর্ণ।

৪। মায়েদের জীবনে মেয়েরা অনেকটা অংশ জুড়ে থাকে। একজন মেয়ে তাঁর মায়ের জীবন সম্পর্কে যত জানে, ততই তাঁর মনের জোর বাড়ে, যাঁর সঙ্গে তারা প্রাণ ভরে হাসেন, মন খুলে কাঁদেন। মেয়েরা হল ফুলের মতোন। যার গন্ধে মায়েদের জীবন সুগন্ধে ভরে ওঠে।

৫। প্রত্যেকটি মেয়েই তাঁর বাবার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়। তাই তো বাবাদের কাছে তাঁর মেয়েরা হয় অমূল্য সম্পদ।

৬। ছোট বড় নানা দুঃখের কথা নিমেষেই মেয়েরা বুঝে যায়। মা বাবার মুখে হাসি ফোটাতে সারাক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে যায়। ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি তাঁদের সব স্বপ্ন, সব ইচ্ছে যেন পূরণ হয়। ডটার্স ডের অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর ভালবাসা।

৭। মেয়েরা যতই বড় হয়ে যাক না কেন, সারা জীবনই তারা তাঁদের বাবা মায়ের কাছে ছোট্ট প্রিন্সেস হয়েই থাকে।

৮। কন্যা সন্তানেরা অনেকটা যেন মিরাকেলের মতন। নানা সমস্যা, নানা দুঃখ তবুও যেন তাঁদের মুখের দিকে তাকালেই নিমেষে সব দুঃখ কেমন দূরে পালায়। এই ডটার্স ডে তে আপনিও জানান আপনার মেয়েকে অনেক শুভেচ্ছা ও সাথে ভালবাসা।

দেখে নিন তুলসি পাতার কিছু অবাক করা গুণাগুণ

আমাদের প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতেই তুলসি গাছ থেকেই থাকে। কিন্তু এর উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে কি আপনি খোঁজ রাখেন? তুলসি পাতার রসে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা ছোট-বড় নানা রোগ সারাতে দারুন কাজে আসে। প্রাচীন কাল থেকেই ছোট-বড় নানা রোগের চিকিৎসায় কাজে লাগানো হয়ে আসছে এই তুলসি পাতাকে। শুধু তাই নয়, আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে তুলসি গাছের পাতা খেলে দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, পাশাপাশি ফুসফুসকেও চাঙ্গা রাখে, জ্বর-জ্বালা কমায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, নানা ধরনের সংক্রমণ হওয়ার ভয় থাকে না। এছাড়া আরও নানা শারীরিক উপকার পাওয়া যায় নিয়মিত তুলসি পাতা খাওয়া শুরু করলে। আজ এই প্রতিবেদনে সেই সকল Tulsi Health Benefits নিয়েই বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা করব। তাহলে আর দেরি না করে দেখে নিন তুলসি পাতার কিছু অবাক করা গুণাগুণ।

১। তুলসি পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা রক্তচাপ এবং কোলেস্টরলের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। যদি আপনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে রোজ সকালে খালি পেটে কয়েকটি তুলসি পাতা চিবিয়ে খান। এতে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

২। তুলসি লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। নিয়মিত তুলসি পাতা খাওয়া শুরু করলে লিভারে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে লিভার সুস্থ্য থাকে ও কোনো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৩। তুলসি পাতা ক্যান্সারের মতন মারণ রোগকে দূরে রাখে। এতে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অ্যাক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজে আসে।

৪। তুলসি শরীরকে রোগমুক্ত করে, প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস করে তুলসি পাতার রস খেলে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

৫। স্টমাক সম্পর্কিত রোগ কমাতে সাহায্য করে তুলসি। রোজ খালি পেটে তুলসি পাতার সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গ্য়াসট্রিক প্রবলেম, আলসার, ব্লটিং প্রভৃতি রোগের প্রকোপ কম হতে শুরু করে। পেটের রোগ কমাতে তুলসি দারুণ কাজে আসে।

৬। তুলসি পাতা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। বাচ্চা দের রোজ তুলসি পাতা খাওয়ালে তাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

লেখাটি পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। পড়ে ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট অবশ্যই করবেন।

বাড়িতে বসেই প্রফেশনালদের মতো নেলপলিশ লাগানোর কিছু সহজ ও স্মার্ট ট্রিক

নখ আমাদের হাতের সৌন্দর্য। আর নেলপালিশ পছন্দ করেন না এমন নারীর সংখ্যা হয়ত খুব কমই। কিন্তু রোজকার অফিস, ঘরের নানা কাজ, বাইরের কাজ সামলে নিয়ম মতোন পার্লার বা স্যাঁলোতে গিয়ে নখ পরিচর্যা করার মতো সময় কয়জনের হাতেই বা থাকে। কিন্তু তাই বলে নখের দিকে নজর দেবেন না এমনটাও চলতে পারেনা। তার চেয়ে বরং আজ থেকে বাড়িতে বসেই নখের পরিচর্যা শুরু করুন। সেই উপায় বলে দিতেই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি কয়েকটি দুর্দান্ত Nail Polish Tips And Tricks যেগুলো মেনে চলতে পারলে আপনিও হয়ে উঠতে পারবেন প্রফেশনাল নেল আর্টিস্ট। আর একজন প্রফেশনাল নেল আর্টিস্টের মতো বাড়িতেই নেলপলিশ লাগিয়ে নখকে করে তুলতে পারবেন সুন্দর ও আকর্ষণীয়। তাহলে আর দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক –

১। পুরনো নেলপলিশ তুলে নতুন নেলপলিশ লাগানোর আগে একটা কটন বাডে খানিকটা পেট্রোলিয়াম ভেসলিন জেলি লাগিয়ে নিন তারপর সেই জেলি নখের চারদিকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। এর ফলে নেলপলিশ লাগাতে গিয়ে যদি নখের বাইরেও লেগে যায় তাহলে পেট্রোলিয়াম জেলি সেটা মুছে নেবে ও সাথে চামড়ার ওপরে লেগে থাকা নেলপলিশের আস্তরণও উঠে যাবে।

২। আরও একটি স্মার্ট ট্রিক হলো ফেভিকলের ব্যবহার। যেভাবে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই একটা কটন বাডের মধ্যে ফেভিকল লাগিয়ে সেটা নখের চারদিকে ঘন করে লাগিয়ে নিন। এরপর গ্লু শুকিয়ে গেলে নেলপলিশ লাগিয়ে নিন। নেলপলিশ শুকিয়ে যাবার পর নখের পাশের আঠার আস্তরণ সাবধানে টেনে তুলে নিন।

৩। অনেক সময় এমন হয় যে পুরনো নেলপলিশ তুলে নেবার পর নখে হলুদ দাগ তৈরি হয়। সে ক্ষেত্রে হলুদ দাগ তুলতে নখে লাগান টুথপেস্ট। মিনিটখানেক রেখে দিন তারপর ভালো করে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

৪। নেলপলিশ লাগানোর আগে নখে বেস কোট লাগানোটা খুব জরুরি। এতে নখ মজবুত হয় এবং নেলপলিশ অনেকদিন পর্যন্ত টেকে। খেয়াল রাখবেন বেস কোটের লেয়ারটি যেন পাতলা হয়। এরপর বেস কোট শুকিয়ে গেলে নেলপলিশের প্রথম কোটটি লাগিয়ে ফেলুন।

৫। শুধু নেলপলিশ লাগালেই হবে না। কীভাবে অনেকদিন পর্যন্ত নেলপলিশ নখে একই রকম থাকবে তার জন্যও রয়েছে উপায়। একটি পাত্রে বেশ কয়েকটি বরফ কুঁচি নিন। তারপর বরফগলা জলে কিছুক্ষণ নখগুলো ডুবিয়ে রাখুন। তারপর হাত ভাল করে মুছে নিন। আবারও লাগিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি। ব্যস! তাতেই কেল্লাফতে।

Design a site like this with WordPress.com
শুরু করুন